অনলাইনে টাকা পাঠানো বা তোলার বিষয়টা অনেকের কাছে জটিল মনে হয়। কিন্তু acb365 বাংলাদেশের বেটারদের কথা মাথায় রেখে পেমেন্ট সিস্টেমটা এমনভাবে তৈরি করেছে যে ধাপগুলো যে কেউ সহজেই বুঝতে পারবেন। বিকাশ বা নগদ দিয়ে যেমন বাজার থেকে কেনাকাটার বিল মেটান, ঠিক সেভাবেই এখানে টাকা পাঠানো যায়।
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং এখন ঘরে ঘরে। প্রায় সবার হাতেই বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট আছে। acb365 এই বাস্তবতা বুঝে তার পেমেন্ট গেটওয়ে ডিজাইন করেছে। ফলে আলাদা কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও পুরোপুরি কাজ করা সম্ভব।
পেমেন্ট সিস্টেমে নিরাপত্তা একটা বড় বিষয়। acb365-এ প্রতিটা লেনদেন এনক্রিপ্টেড চ্যানেলে হয়। আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য কখনোই তৃতীয় পক্ষের কাছে পৌঁছায় না। প্রতিটা ডিপোজিট এবং উইথড্রয়ালের জন্য কনফার্মেশন মেসেজ পাঠানো হয়, যাতে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন।
পেমেন্ট পদ্ধতির তুলনা
acb365-এ বেশ কয়েকটি পেমেন্ট অপশন আছে। প্রতিটার নিজস্ব সুবিধা আছে। বিকাশ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কারণ এটা প্রায় সবার কাছেই আছে এবং লেনদেন তাৎক্ষণিক। নগদ একটা ভালো বিকল্প কারণ এর ট্রানজেকশন ফি তুলনামূলক কম। রকেটের মাধ্যমে বড় পরিমাণ লেনদেন করা সুবিধাজনক।
এর বাইরে ব্যাংক ট্রান্সফারের সুবিধাও আছে যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে তাদের জন্য। অনেকে ব্যাংক ট্রান্সফার পছন্দ করেন কারণ বড় উইথড্রয়ালে এটা নিরাপদ বোধ হয়। তবে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তুলনায় একটু বেশি সময় লাগতে পারে।
ডিপোজিট করার সময় যা মনে রাখবেন
ডিপোজিটের সময় সঠিক রেফারেন্স নম্বর দেওয়া জরুরি। acb365-এ প্রতিটা ডিপোজিট রিকোয়েস্টের সাথে একটা ইউনিক রেফারেন্স নম্বর দেওয়া হয়। সেই নম্বরটা মোবাইল ব্যাংকিং পেমেন্টের নোট বা রেফারেন্স ঘরে লিখতে হবে। না লিখলে পেমেন্ট ম্যাচ করতে দেরি হতে পারে।
ডিপোজিটের সীমাও জেনে রাখুন। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে শুরু করা যায়। দৈনিক সর্বোচ্চ সীমা নির্ভর করে পেমেন্ট পদ্ধতির উপর। বিকাশের ক্ষেত্রে দৈনিক লেনদেনের নিজস্ব সীমা আছে, সেটাও মাথায় রাখতে হবে।